চাঁদনী পশরে কে আমারে স্মরণ করে

চাঁদনী পশরে কে আমারে স্মরণ করে
কে আইসা দাঁড়াইছে গো আমার দুয়ারে
তারে চিনিনা মি
সে আমারে চিনে
বাহিরে চান্দের আলো ঘর অন্ধকার
খুলিয়া দিয়াছি ঘরের সকল দুয়ার
তবু কেন সে আমার ঘরে আসে না
সে আমারে চিনে কিন্তু আমি চিনি না
সে আমারে থারে থারে ঈশারায় কয়
এই চান্দের রাইতে তোমার
হইছে গো সময়
ঘরছাড়িয়া বাহির হও ধরো আমার হাত
তোমার জন্য আনছি গো আইজ চান্দেরও
দাওয়াত

Advertisements

ও আমার উড়াল পংখী রে

ও আমার উড়াল পংখী রে
যা যা তুই উড়াল দিয়া যা
আমি থাকবো মাটির ঘরে
আমার চক্ষে বৃষ্টি পরে
তোর হইব মেঘের উপরে বাসা
ও আমার উড়াল ………
আমার মনে ব্যজায় কষ্ট
সেই কষ্ট হইল পষ্ট
দুই চক্ষে ভর করিল
আঁধার নিরাশায়
তোর হইল মেঘের উপরে বাসা
ও আমার উড়াল……
মেঘবতী দূধ কুমারী
মেঘের উপরে থাকো
সুখ দুঃখ দুই বইনেরে
কোলের উপরে রাখো
মাঝে মইধ্যে কান্দন করা
মাঝে মইধ্যে হাসা
মেঘবতি আজ নিয়াছে
মেঘের উপরে বাসা
ও আমার উড়াল………
ও আমার উড়াল পংখী রে
যা যা তুই উড়াল দিয়া যা
আমি থাকবো মাটির ঘরে
আমার চক্ষে বৃষ্টি পরে
তোর হইবে মেঘের উপরে বাসা
ও আমার উড়াল ………

তুমি আমার কত চেনা

তুমি আমার কত চেনা
সে কি জান না
এই জীবনের আশা
তুমি তুমি আমার ঠিকানা।।
একবার যাদুমনিকে ঠাই
দাও তোমারই বুকে
আর তুমি যেও না চলে
আমায় একা রেখে।
তুমি আমার কত চেনা সে কি জান না ।।
সেই চোখ আঁকা কাজলে
সে নূপুর পায়েতে দোলে
দোলনাকে কী করি বল
মা গো ভুলে গেলে।
তুমি আমার কত চেনা সে কি জান না ।।

তুমি আমায় করতে সুখী

তুমি আমায় করতে সুখী,
জীবনে অনেক বেদনাই সয়েছো
বলো না, কি সুখ তুমি পেলে?
তোমায় পেয়ে, পৃথিবী পেয়েছি,
আমি পেয়েছি আলো,
গড়েছি প্রদ্বীপ, সেই আলো জ্বেলে
তুমি তো জীবন জুড়ে রয়েছো আমার
জানি না কতোটা আমি হয়েছি তোমার
তুমি যে আমার সেই সুখের জোয়ার
সবুজ হয় গো মাটি, যে ঢেউ এলে
গড়েছি প্রদ্বীপ, সেই আলো জ্বেলে
দিয়েছি তোমায় আমি শুধুই জ্বালা
সে জ্বালা হয়েছে মোর গলার মালা
কোথাও সীমানা নেই, যে ভালোবাসার,
সে প্রেমে আমায় তুমি ভরে যে গেলে
বলো না, কি সুখ তুমি পেলে?

ভালোবাসার স্বপ্নে ঘেরা

ভালোবাসার স্বপ্নে ঘেরা
এই তো আমার ঘর
অনুরাগের ছোয়ায় ভরা
সুখেরই বাসর।।
কখনও এমন করে
ছিল না জানা
এ জীবনে আছে যে সাধ
আছে বাসনা।
সোহাগিনী আমি তোমার
পেয়ে যে আদর।।
তোমারই বাহুর বাধন
খোল না প্রিয়
সুখে দুখে এ বুকে ঠাই
আমাকে দিও।
চিরদিনই রেখো তোমার
প্রেমের দোসর।।