Ei to besh vhalo achi | এই বেশ ভাল আছি lyrics

এই বেশ ভাল আছি। এই বেশ ভাল আছি

এই বেশ ভাল আছি, কর্ম কাজ নেই,
গাড়ি ঘোড়া কিছু নেই,
অফিস কাছারি নেই, হাজিরা কামাই
নেই,
শব্ দ বা পরিবেশ দূষণ বালাই নেই,
সময় দেই না বলে তেলে বেগুণ জ্বলে
গিন্নীর রাগ নেই,
টেলিফোনে ডাক নেই, শহরেতে
কারফিউ, লোকজন কেউ নেই,
এক-চার-চার ধারা, ফুটপাথে থাকে
যারা, কেউ কোথ্ থাও নেই,
নেই নেই কিছু নেই, তবুও তো আছে
কিছু, বলতে যা বাধা নেই–
দু নয়নে ভয় আছে, মনে সংশয় আছে,
ঐ ধর্মের বাঘ হেসে, আবার উঠোনে
এসে,
আশ্রয় চেয়ে যায় মানুষেরই কাছে ।
তাই, ভয় আছে
দু নয়নে ভয় আছে, মনে সংশয় আছে।
ভেঙে গেলে জোড়া যায় মন্দির
মসজিদ,
ভাঙা কাঁচ, ভাঙা মন যায় না,
রাম আছে, শ্যাম আছে, কোরাণী
সেলাম আছে,
রক্তলোলুপ কিছু হয় না।
এদেশ টা ফাঁকা আছে, বিদেশের
টাকা আছে,
ধর্ম না গ্রাস করে আমাদের পাছে ।
তাই, ভয় আছে
দু নয়নে ভয় আছে, মনে সংশয় আছে।
এই বেশ ভাল আছি। এই বেশ ভাল আছি

এই বেশ ভাল আছি, ভাবার সময় আছে,
তবুও ভাবনা নেই,
পার্কে তে ঘোরা নেই, সিনেমায়
যাওয়া নেই,
উঠতি যুবকদের যাতনার সীমা নেই,
শিহরণ আনে প্রেমে এমন বাতাস
নেই,
যুবতীর কটাক্ষ, চীরে দেয় এ বক্ষ,
হায়রে এমন দিনে
সেই অবকাশ নেই, চাল নেই, ডাল
নেই, পয়সার দাম নেই,
তবুও টিভির স্ক্রীনে খেলার বিরাম
নেই।
নেই নেই কিছু নেই, তবুও তো আছে
কিছু, বলতে যা বাধা নেই–
দু নয়নে ভয় আছে, মনে সংশয় আছে।

Advertisements

Ulto rajar deshe | উল্টো রাজার দেশে lyrics

কোন এক উল্টো রাজা,
উল্টো বুঝলি প্রজার দেশে
চলে সব উল্টো পথে, উল্টো রথে,
উল্টো বেশে (২)
সোজা পথ পোড়ে পায়ে, সোজা পথে কেউ
চলেনা
সোজা পথ পোড়ে পায়ে, সোজা পথে কেউ
চলেনা
বাঁকা পথ জ্যাম হরদম, জমজমাট ভিড়
কমেনা
কোন এক উল্টো রাজা,
উল্টো বুঝলি প্রজার দেশে
চলে সব উল্টো পথে, উল্টো রথে,
উল্টো বেশে
সে দেশে করে পাস এম এ,বি এ,
কেরানির জীবন যাপন
করে পাস এম এ,বি এ, কেরানির জীবন
যাপন
রাজনীতি করলেরে ভাই, ডিগ্রীর
কি প্রয়োজন ?
জনগণ তুলে দেবে তোমার হাতে দেশের
শাসন
সে দেশে, অর্থের কারচুপিতে সিদ্ধ
যিনি -অর্থমন্ত্রী
দেশের শত্রু মাঝে প্রধান যিনি –
প্রধানমন্ত্রী
সে দেশে ধার করে ভাই
শোধে রাজা ধারের টাকা
মরে ভূত হল মানুষ, লোক
দেখানো বৈদ্দি ডাকা
কোন এক উল্টো রাজা,
উল্টো বুঝলি প্রজার দেশে
চলে সব উল্টো পথে, উল্টো রথে,
উল্টো বেশে
সে দেশে, অবহেলায় যখন
ফোকলা সংস্কৃতির মাড়ি
অবহেলায় যখন ফোকলা সংস্কৃতির মাড়ি
বিদেশি চ্যানেল তখন পৌঁছে যে যায়
বাড়ি বাড়ি
আনন্দ, কি আনন্দ
এসে গেছে কোকাকোলা
গেছে সব দেনার
দায়ে বাকি আছে কাপড় খোলা
পায় না খেতে যারা গাইত
খেয়াল,টপ্পা ঝানু
পায় না খেতে যারা গাইত
খেয়াল,টপ্পা ঝানু
গেয়ে গান হচ্ছে ধনী রাম, শ্যাম আর
কুমার পানু
কোন এক উল্টো রাজা,
উল্টো বুঝলি প্রজার দেশে
চলে সব উল্টো পথে, উল্টো রথে,
উল্টো বেশে
পারেনা ধরতে পুলিশ সত্যি অপরাধী,
যারা বাড়ছে সুখে
নিরীহ প্রেমিক-প্রেমিকাদের ধরে,
নিচ্ছে টাকা লেকের ধারে,পুজোর মুখে
এদিকে ধর্ম ধর্ম ধর্ম
নিয়ে চলছে বামাল
ধর্মকে তোয়াজ করে সব শালারাই
সাদা বা লাল
রাজা দেয় প্রতিশ্রুতি হ্যান কারেগা,
ত্যান কারেগা
রাজা দেয় প্রতিশ্রুতি হ্যান কারেগা,
ত্যান কারেগা
করেগা কচু, আসলে ব্যাটা পকেট
ভারেগা
এতো এক উল্টো দেশের গল্প
শুনলে এতক্ষণ
যদি কেউ এমন দেশের সন্ধান পাও তখন

জানিয়ে দিও আমায় বলব সেই দেশের
কথা
ঠিকানা আমার, কেয়ার অব ফুটপথ
নচিকেতা
ঠিকানা আমার, কেয়ার অব ফুটপথ
নচিকেতা
ঠিকানা আমার, কেয়ার অব ফুটপথ
নচিকেতা…

Nilanjona 1 | নীলাঞ্জনা ১ lyrics

লাল ফিতে সাদা মোজা সু-স্কুলের
ইউনিফর্ম
ন’টার সাইরেন সংকেত
সিলেবাসে মনোযোগ কম
পড়া ফেলে এক ছুট ছুট্টে রাস্তার
মোড়ে, দেখে
সাইরেন মিস করা দোকানীরা দেয়
ঘড়িতে দম
এরপর একরাশ কালো কালো ধোঁয়া
স্কুল বাসে করে তার দ্রুত চলে যাওয়া
এরপর বিষন্ন দিন বাজেনা মনোবীণ
অবসাদে ঘিরে থাকা সে দীর্ঘ দিন
হাজার কবিতা বেকার সবই তা
তার কথা কেউ বলে না
সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
সন্ধ্যা ঘনাতো যখন পাড়ায় পাড়ায়
রক থাকতো ভরে কিছু বখাটে ছোড়ায়
হিন্দি গানের কলি সদ্য
শেখা গালাগালি
একঘেয়ে হয়ে যেত সময় সময়
তখন উদাস মন ভোলে মনরঞ্জন
দাম দিয়ে যন্ত্রনা কিনতে চায়
তখন নীলাঞ্জনা প্রেমিকের কল্পনা
ও মনের গভীরতা জানতে চায়
যখন খোলা চুলে হয়তো মনের ভুলে
তাকাতো সে অবহেলে দু’চোখ মেলে
হাজার কবিতা বেকার সবই তা
তার কথা কেউ বলে না
সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
অংকের খাতা ভরা থাকতো আঁকায়
তার ছবি তার নাম পাতায় পাতায়
হাজার অনুষ্ঠান প্রভাত ফেরীর গান
মন দিন গুনে এই দিনের আশায়
রাত জেগে নাটকের মহরায় চঞ্চল
মন শুধু সে ক্ষনের প্রতিক্ষায়
রাত্রির আঙ্গিনায়
যদি খোলা জানালায়
একবার একবার যদি সে দাড়ায়
বোঝেনি অবুঝ মন নীলাঞ্জনা তখন
নিজেতে ছিলো মগ্ন এ প্রানপণ
হাজার কবিতা বেকার সবই তা
তার কথা কেউ বলে না
সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা…

Bridhasrom | বৃদ্ধাশ্রম lyrics by Nochiketa

ছেলে আমার মস্ত মানুষ, মস্ত অফিসার
মস্ত ফ্ল্যাটে যায় না দেখা এপার
ওপার।
নানান রকম জিনিস আর আসবাব
দামী দামী
সবচেয়ে কম দামী ছিলাম একমাত্র
আমি।
ছেলের আমার আমার প্রতি অগাধ
সম্ভ্রম
আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম!
আমার ব্যবহারের সেই আলমারি আর
আয়না
ওসব নাকি বেশ পুরনো,
ফ্ল্যাটে রাখা যায় না।
ওর বাবার ছবি, ঘড়ি-ছড়ি, বিদেয়
হলো তাড়াতাড়ি
ছেড়ে দিলো, কাকে খেলো,
পোষা বুড়ো ময়না।
স্বামী-স্ত্রী আর আ্যালসেশিয়ান –
জায়গা বড়ই কম
আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম!
নিজের হাতে ভাত
খেতে পারতো নাকো খোকা
বলতাম
আমি না থাকলে কী করবি রে বোকা?
ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদতো খোকা আমার
কথা শুনে-
খোকা বোধ হয় আর কাঁদে না, নেই
বুঝি আর মনে।
ছোট্টবেলায় স্বপ্ন
দেখে উঠতো খোকা কেঁদে
দু’হাত দিয়ে বুকের
কাছে রেখে দিতাম বেঁধে
দু’হাত আজো খুঁজে, ভুলে যায় যে একদম-
আমার ঠিকানা এখন বৃদ্ধাশ্রম!
খোকারও হয়েছে ছেলে, দু’বছর হলো
তার তো মাত্র বয়স পঁচিশ, ঠাকুর মুখ
তোলো।
একশো বছর বাঁচতে চাই এখন আমার
সাধ
পঁচিশ বছর পরে খোকার হবে ঊনষাট।
আশ্রমের এই ঘরটা ছোট, জায়গা অনেক
বেশি-
খোকা-
আমি দু’জনেতে থাকবো পাশাপাশি।
সেই দিনটার স্বপ্ন দেখি ভীষণ রকম
মুখোমুখি আমি, খোকা আর বৃদ্ধাশ্রম!
মুখোমুখি আমি, খোকা আর বৃদ্ধাশ্রম!
মুখোমুখি আমি, খোকা আর বৃদ্ধাশ্রম!

Anto bihin poth cola | অন্তবিহীন পথ চলাই জীবন lyrics

অন্তবিহীন পথ চলাই জীবন
শুধু জীবনের কথা বলাই জীবন।
জীবন প্রসব করে চলাই জীবন,
শুধু যোগ বিয়োগের খেলাই জীবন।
শুধু সূর্যের পানে দেখাই জীবন,
জীবনকে ভোগ করে একাই জীবন,
একই কক্ষ্যপথে ঘোরাই জীবন,
স্বপনের সমাধি খোড়াই জীবন,
মনের গোপন ঘরে, যে শাপদ ঘর করে,
তাকেই লালন করে চলাই জীবন।
ফুটপাথে বেওয়ারিশ শিশুরা জীবন,
রাম, ইসলাম আর যিশুরা জীবন,
অষুধের বিষপান করাই জীবন,
চিকিত্ সাহীন হয়ে মরাই জীবন।
যে মেয়েটা রোজ রাতে, বদলায়
হাতে হাতে,
তার অভিশাপ নিয়ে চলাই জীবন।
প্রতিবাদ প্রতিরোধে নামাই জীবন,
লক্ষ্যে পৌঁছে তবে থামাই জীবন,
স্বপ্নে বেচা কেনা করাই জীবন,
দেয়ালে ঠেকলে পিঠ লড়া ই জীবন,
প্রতিদিন ঘরে ফিরে, অনেক হিসেব
করে,
‘এ জীবন চাই না’, তা বলাই জীবন।